কাহিনী শুরু হয় এক অন্ধকার সময় থেকে।দীর্ঘ দুঃখ,কষ্ট ও দারিদ্র্যের মধ্যে একদিন আল্লাহ্র রহমত এসে পড়ে এক বান্দার জীবনে। আল্লাহ্র কাছে অশ্রুসিক্ত দোয়ার পর তাঁর হৃদয়ে নেমে আসে শান্তি, আর হাতে আসে একটি রহস্যময় আংটি।আর আল্লাহ শিক্ষা দেন হেকমত।এই আংটিতে ছিল প্রতীকী এক রহস্য:“আলিফে আল্লাহ,“বা”তে বান্দা”
অর্থাৎ— আল্লাহ্র প্রতি পূর্ণ আস্থা, আর বান্দার হাতে আমল। আল্লাহ্র হুকুম ও রহমত ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়, কিন্তু বান্দার কর্তব্য হচ্ছে আমল করা, চেষ্টা করা, আর ধৈর্য ধারণ করা।
রহস্যময় (Mystical):
আল্লাহর অনেক নিদর্শন মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও ভেতরে থাকে আধ্যাত্মিক রহস্য। এই আংটিও তেমন এক রহস্য, যা বান্দাকে দাসত্বের দিকে এবং আল্লাহর নূরের দিকে আহ্বান করে।
আংটি (Ring):
ইসলামী ঐতিহ্যে আংটি একটি মর্যাদা ও পরিচয়ের প্রতীক। রাসূলুল্লাহ ﷺ আংটি ব্যবহার করতেন এবং সেটিকে সিলমোহর হিসেবেও ব্যবহার করেছেন। তাই আংটি এখানে শুধু অলঙ্কার নয়, বরং এক আধ্যাত্মিক প্রতীক।
প্রথমবারের আমল:-(অবশ্যই পালনীয়)
আংটি হাতে পাওয়ার সময়কার আমল।
পার্সেল্টি বা প্যাকেজটি হাতে পেয়ে আল্লাহর পবিত্রতার ঘোষণা করতে হবে সাথে বলুন “সুবহানাল্লাহ”। “আলহামদুলিল্লাহ”।লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ,“আল্লাহু আকবার”।
📖 রেফারেন্স: রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যখন কোন বান্দা বলে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু,আল্লাহু আকবার—এই শব্দগুলো আসমান পর্যন্ত পৌঁছে যায়।”— (সহীহ মুসলিম)
আংটি পরিধানের নিয়ম:-
সুন্দরভাবে অযু করুন।
“আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম, বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম” পড়ে ডান হাতে পড়ুন।
আংটি পরিধানের জন্য বৃহস্পতিবার দিন বেছে নিন। কারণ বৃহস্পতিবার দিনের শেষে দোয়া কবুলের শর্ত আছে এমন একটি পবিত্র শুক্রবারের রাত শুরু হয়।
রাসূল ﷺ সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন এবং বলতেন:
“এই দুই দিনে বান্দাদের আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়।”
— (সুনান তিরমিজি, হাদীস ৭৪৭)
আংটি পড়ার দিন শেষে রাতের, এশার নামাজ শেষে এই আমল করবেন: ১০০ বার দুরূদ শরীফ (যেকোনো একটা) ৪৯৯ বার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ ১ বার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়াওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়িল আজীম আবার ১০০ বার দুরূদ। দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন আকুতি মিনতি করে কান্না ভরা মনে।👉দো‘আ কবুল হয় যদি বান্দা আন্তরিক হয়। “তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের দো‘আ কবুল করব।” (সূরা গাফির ৪০:৬০) সর্বশেষ খাচ দোআ পরে শেষ করবেন। নূরে”বা “ আংটির রহস্যময়। খাস দোআ এই দোয়ায় আংটি তে শক্তি তৈরি হয়।
“হে আল্লাহ, আলিফে -আপনি আল্লাহ, বাতে- আপনার বান্দা, আর আমি “বা” এর নিচের নক্তাটি মাত্র — অতি ক্ষুদ্র, অতি দূর্বল, একজন অসহায় গুনাহগার দাস। আমি বিশ্বাস করি নূরে “বা” রহস্যময় আংটি আপনার একটি কুদরতের নিদর্শন। এটি কোনো তাবীজ/কবজ নয়। আমি রাসূল সা: এর সুন্নত হিসাবে আংটিটি গ্রহণ করেছি।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি সকল ক্ষমতার মালিক। আমাকে সাহায্য করুন, আমার প্রতি রহম করুণ। আমাকে শিফা দান করুন। আমীন।” (আমল করার সময় আংটি হাতে পরে থাকবেন ) সব সময় আংটি পড়ে থাকতে হবে এমনটা নয়। পবিত্র স্থানে রাখবেন। মনে রাখবেন আংটিটির প্রতিকী পবিত্র কোরআনের সারমর্ম। তাই আদবের সাথে ব্যবহার করতে হবে।
এগুলো আংটির গুণ বজায় রাখবে এবং আল্লাহর রহমত আকর্ষণ করবে। প্রথম ৪০দিন। ফজরের নামাজের পরে: ১০ বার সূরা ফাতিহা ৭ বার সূরা ইখলাস ৭ বার সূরা ফালাক ৭ বার সূরা নাস ১ বার আয়াতুলকুরসি (মনে না থাকলে মনে আসার সাথে সাথে পরে নিবেন।) দিনের বেলা (যেকোনো সময়): ১০০০ বার দুরুদ শরীফ ১০০ বার: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ ১০০০ বার ইস্তেগফার। ১০রাকাত নফল নামায পড়বেন। মাগরিবের পরে:।১বার আয়াতুলকুরসী ৩বার সূরা ইখলাস ,৩ বার সূরা ফালাক , ৩বার সুরা নাস । এশার পরে:। ঘুমানোর আগে অবশ্যই নিয়মিত পড়বেন ৩১৩বার দুরুদ শরিফ।৩০০ বার দোয়ায় ইউনুছ পরে মুনাজাত করবেন।ঘুমানোর আগে দোয়া করে ঘুমাবেন।
দুইদিন রোজা রাখবে ।সোম/বৃহস্পতি। ৭ বার সূরা ইয়াসিন অথবা সূরা মুলক পড়বে। সারসংক্ষেপ। প্রথমবারের আমল আংটির ভেতরে রহস্যময় কুদরত কার্যকর করবে। নিয়মিত ওযিফা আংটির শক্তি বজায় রাখবে। খাস দো‘আ হলো আল্লাহর হেকমত যা দান করা হয়েছে এবং এই দোয়াটি মূল রহস্য, যার বরকতে আল্লাহ সমাধান দান করবেন। ইনশা আল্লাহ। পরবর্তীতে যোগাযোগঃ করে আমল জেনে নিবেন।
আলিফ – আল্লাহ, “বা” তে বান্দা -I ঈমান আর সাফল্য।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আল্লাহর অনেক নিদর্শন মানুষের চোখে সাধারণ মনে হলেও ভেতরে থাকে আধ্যাত্মিক রহস্য। এই আংটিও তেমন এক রহস্য, যা বান্দাকে দাসত্বের দিকে এবং আল্লাহর নূরের দিকে আহ্বান করে।
প্রথমবারের আমল:-(অবশ্যই পালনীয়)
আংটি হাতে পাওয়ার সময়কার আমল।
পার্সেল্টি বা প্যাকেজটি হাতে পেয়ে আল্লাহর পবিত্রতার ঘোষণা করতে হবে বলুন “সুবহানাল্লাহ”। “আলহামদুলিল্লাহ”।লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ,“আল্লাহু আকবার”।
📖 রেফারেন্স: রাসূল ﷺ বলেছেন:
“যখন কোন বান্দা বলে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু,আল্লাহু আকবার—এই শব্দগুলো আসমান পর্যন্ত পৌঁছে যায়।”— (সহীহ মুসলিম)
আংটি পরিধানের নিয়ত:–
“আমি আল্লাহর নূর স্মরণে, তাঁর দাসত্ব প্রকাশে এবং কুসংস্কার থেকে দূরে থাকার জন্য Nur-e-ba আংটিটি সুন্নাত হিসেব পরিধান করছি।
”আংটি পরিধানের নিয়ম:-
সুন্দরভাবে অযু করুন।
“আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম, বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম” পড়ে ডান হাতে পড়ুন।
আংটি পরিধানের জন্য বৃহস্পতিবার দিন বেছে নিন। কারণ বৃহস্পতিবার দিনের শেষে দোয়া কবুলের শর্ত আছে এমন একটি পবিত্র শুক্রবারের রাত শুরু হয়।
রাসূল ﷺ সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন এবং বলতেন:
“এই দুই দিনে বান্দাদের আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়।”
— (সুনান তিরমিজি, হাদীস ৭৪৭)
প্রথম দিনের বিশেষ আমল:- (বাধ্যতামূলক)
আংটি পড়ার দিন শেষে রাতের, এশার নামাজ শেষে এই আমল করবেন:
১০০ বার দুরূদ শরীফ (যেকোনো একটা)
৪৯৯ বার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
১ বার, লা হাওলা ওয়ালা কুয়াওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়িল আজীম
আবার ১০০ বার দুরূদ। দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন আকুতি মিনতি করে কান্না ভরা মনে।👉দো‘আ কবুল হয় যদি বান্দা আন্তরিক হয়। “তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের দো‘আ কবুল করব।”(সূরা গাফির ৪০:৬০)
সর্বশেষ খাচ দোআ পরে শেষ করবেন।
নূরে”বা “আংটির রহস্যময়। খাস দোআ এই দোয়ায় আংটি তে শক্তি তৈরি হয়।
দো‘আ পড়ুন:। খাস দো‘আ:
“হে আল্লাহ, আলিফে -আপনি আল্লাহ, বাতে- আপনার বান্দা, আর আমি “বা” এর নিচের নক্তাটি মাত্র — অতি ক্ষুদ্র, অতি দূর্বল, একজন অসহায় গুনাহগার দাস। আমি বিশ্বাস করি নূরে “বা” রহস্যময় আংটি আপনার একটি কুদরতের নিদর্শন। এটি কোনো তাবীজ/কবজ নয়। আমি রাসূল সা: এর সুন্নত হিসাবে আংটিটি গ্রহণ করেছি।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি সকল ক্ষমতার মালিক। আমাকে সাহায্য করুন, আমার প্রতি রহম করুণ। আমাকে শিফা দান করুন। আমীন।” (আমল করার সময় আংটি হাতে পরে থাকবেন ) সব সময় আংটি পড়ে থাকতে হবে এমনটা নয়। পবিত্র স্থানে রাখবেন। মনে রাখবেন আংটিটির প্রতিকী পবিত্র কোরআনের সারমর্ম। তাই আদবের সাথে ব্যবহার করতে হবে।
নিয়মিত যে অমল করতে হবে/পালনের নিয়ম।
এগুলো আংটির গুণ বজায় রাখবে এবং আল্লাহর রহমত আকর্ষণ করবে।
প্রথম ৪০দিন।
ফজরের নামাজের পরে:
১০ বার সূরা ফাতিহা
৭ বার সূরা ইখলাস
৭ বার সূরা ফালাক
৭ বার সূরা নাস
১ বার আয়াতুলকুরসি
(মনে না থাকলে মনে আসার সাথে সাথে পরে নিবেন।)
দিনের বেলা (যেকোনো সময়):
১০০০ বার দুরুদ শরীফ
১০০ বার: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
১০০০ বার ইস্তেগফার।
১০রাকাত নফল নামায পড়বেন।
১৯ বার বিসমিল্লাহ্ শরিফ পরবেন।
মাগরিবের পরে:- ১বার আয়াতুলকুরসী
৩বার সূরা ইখলাস ,৩ বার সূরা ফালাক , ৩বার সুরা নাস
এশার পরে:। ঘুমানোর আগে অবশ্যই নিয়মিত পড়বেন ৩১৩বার দুরুদ শরিফ।৩০০ বার দোয়ায় ইউনুছ পরে মুনাজাত করবেন।ঘুমানোর আগে দোয়া করে ঘুমাবেন।
সাপ্তাহিক আমল:-
দুইদিন রোজা রাখবে ।সোম/বৃহস্পতি।
৭ বার সূরা ইয়াসিন অথবা সূরা মুলক পড়বে।
কোরআন শুদ্ধ ভাবে পড়তে হবে। যাঁরা এখনো কোরআন পরা শিখতে পারেননি তাঁরা শিক্ষার চেষ্টা করবেন। এরই মাঝে এই যিকির করবেন,সুবহানাল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ, লা – ইলাহা ইল্লাল্লাহ,আল্লাহুয়াকবার,লা হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ, ১০০ বার প্রতিদিন।
সারসংক্ষেপ। প্রথমবারের আমল আংটির ভেতরে রহস্যময় কুদরত কার্যকর করবে। নিয়মিত অজিফা আংটির শক্তি বজায় রাখবে। খাস দো‘আ হলো আল্লাহর হেকমত যা দান করা হয়েছে এবং এই দোয়াটি মূল রহস্য, যার বরকতে আল্লাহ শিফা দান করবেন। ইনশা আল্লাহ। মানুষের চোখে এ আংটি এক টুকরো ধাতু হলেও এর আসল রহস্য আল্লাহর কুদরতে লুকানো। বান্দা যখন একীন ও ইখলাসের সাথে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তখন এ আংটি তার জন্য দাওয়াহ ও বরকতের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।নূরে বা রহস্যময় বরকতের আংটি কেবল ধাতব আকারের কোনো অলঙ্কার নয়। এটি একটি আধ্যাত্মিক দাওয়াহর নিদর্শন, যা আমাদের প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেয়:
আল্লাহই একমাত্র রব।
তিনিই দাতা, শিফা দানকারী, রহমতকারী।
সমাপ্তি দো‘আ
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ هٰذَا الْكِتَابَ نُوْرًا فِي قُلُوْبِنَا، وَسَبَبًا لِلْهُدٰى وَالرَّحْمَةِ، وَوَسِيْلَةً لِلتَّقَرُّبِ اِلَيْكَ، وَاجْعَلْ هٰذَا الْخَاتَمَ بَرَكَةً لِمَنْ يَلْبَسُهُ، وَحِفْظًا لَهُ مِنَ الشَّرِّ وَالْفِتَنِ، وَافْتَحْ لَهُ أَبْوَابَ الْخَيْرِ وَالرِّزْقِ، وَارْزُقْنَا الْإِخْلَاصَ فِي الْقَوْلِ وَالْعَمَلِ، وَخَاتِمَةً حَسَنَةً، بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ۔
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইজ‘আল হাজাল কিতাবা নূরান ফি কুলুবিনা, ওয়া সাবাবান লিল হুদা ওয়া রহমাহ, ওয়া ওয়াসীলাতান লিত্-তাকররুবি ইলাইকা, ওয়াজ‘আল হাজাল খাতামা বারাকাতান লিমান ইয়ালবাসুহু, ওয়া হিফযান লাহু মিনাশ-শাররি ওয়াল-ফিতান, ওয়াফতাহ লাহু আবওয়াবাল খাইরি ওয়াররিযক, ওয়ারযুকনা আল-ইখলাসা ফিল-কাওলি ওয়াল-আমাল, ওয়া খাতিমাতান হাসানাহ, বি-রাহমাতিকা ইয়া আরহামার-রাহিমীন।
বাংলা অর্থ:
হে আল্লাহ, এই বইকে আমাদের অন্তরে নূর বানিয়ে দিন, হেদায়াত ও রহমতের কারণ বানিয়ে দিন, আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করুন। এই আংটিকে যার হাতে থাকবে তার জন্য বরকতময় করুন, তাকে সব ধরনের অশুভ ও ফিতনা থেকে হেফাজত করুন, তার জন্য কল্যাণ ও রিজিকের দরজা খুলে দিন। আমাদের কথা ও কাজে إخلاص দান করুন, এবং আমাদের জীবনের সুন্দর সমাপ্তি করুন। হে দয়ালু, হে দয়ালুদের মধ্যে সবচেয়ে দয়ালু।
🟢 অংশ ১: উপকারিতা সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১: আংটিটি মানুষের জীবনে আসলেই কী ধরনের পরিবর্তন আনে?
👉 আংটি মানুষকে আল্লাহর সাথে সংযুক্ত করে। এর ফলে অন্তরে প্রশান্তি, আধ্যাত্মিক শক্তি এবং জীবনের সমস্যার সমাধানের পথ তৈরি হয়।
প্রশ্ন ২: এটি কি আল্লাহর রহমতের মাধ্যম হতে পারে?
👉 হ্যাঁ। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর রহমতের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
📖 আল্লাহ বলেন: “আমার রহমত সব কিছুকে পরিবেষ্টন করেছে।” (সূরা আরাফ ৭:১৫৬)
প্রশ্ন ৩: আংটি কি মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা দূর করে?
👉 হ্যাঁ। কারণ আল্লাহর নাম স্মরণ করলে হৃদয় প্রশান্ত হয়।
📖 “জেনে রাখ, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি পায়।” (সূরা রা‘দ ১৩:২৮)
প্রশ্ন ৪: পারিবারিক কলহ বা অশান্তি কমাতে সাহায্য করে কি?
👉 আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও যিকির পারিবারিক জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনে।
প্রশ্ন ৫: ব্যবসা বা চাকরিতে সফলতার জন্য এর ভূমিকা কী?
👉 আল্লাহর উপর ভরসা করলে তিনি উত্তম রিজিক দান করেন।
📖 “যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তিনি তার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা তালাক ৬৫:৩)
প্রশ্ন ৬: সন্তানের অনাদর বা অবাধ্যতা কমাতে সাহায্য করবে কি?
👉 হ্যাঁ। আন্তরিক দো‘আর মাধ্যমে আল্লাহ সন্তানের হৃদয় নরম করে দেন।
প্রশ্ন ৭: দীর্ঘদিনের অসুখে প্রশান্তি আসবে কি?
👉 হ্যাঁ। কারণ কোরআন হলো শিফা।
📖 “আমি কোরআনকে নাযিল করেছি রোগমুক্তি ও রহমত হিসেবে।” (সূরা ইসরা ১৭:৮২)
প্রশ্ন ৮: শয়তানের কুমন্ত্রণা বা খারাপ অভ্যাস থেকে রক্ষা করবে কি?
👉 আল্লাহর যিকির শয়তানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অস্ত্র।
প্রশ্ন ৯: ভ্রমণ বা নতুন কাজে বের হলে সুরক্ষা পাওয়া যাবে কি?
👉 হ্যাঁ, আল্লাহর নামের সাথে বের হলে তিনি হেফাজত করেন।
প্রশ্ন ১০: বিপদ বা দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করবে কি?
👉 আল্লাহই উত্তম রক্ষাকারী।
প্রশ্ন ১১: দো‘আ কবুলে আংটির ভূমিকা কী?
👉 দো‘আ কবুল হয় যদি বান্দা আন্তরিক হয়।
📖 “তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের দো‘আ কবুল করব।” (সূরা গাফির ৪০:৬০)
প্রশ্ন ১২: শুধু মুসলিমরাই উপকার পাবে?
👉 না। এটি মানবজাতির জন্য দাওয়াহ টুল।
প্রশ্ন ১৩: অমুসলিমরাও কি ব্যবহার করতে পারবে?
👉 হ্যাঁ। আল্লাহর রহমত সর্বজনীন।
প্রশ্ন ১৪: আংটি কি তাবিজ বা কবজ?
👉 না। এটি কোনো তাবিজ নয়। এটি আল্লাহর স্মরণের প্রতীক।
প্রশ্ন ১৫: কেন এটি আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন?
👉 কারণ এটি মানুষকে আল্লাহর শক্তি ও রহমতের দিকে দৃষ্টি দেয়।
প্রশ্ন ১৬: ফলাফল কতদিনে অনুভূত হবে?
👉 আল্লাহর হিকমাহ অনুযায়ী— কারো দ্রুত, কারো ধীরে।
প্রশ্ন ১৭: আধ্যাত্মিক দিক ছাড়াও বাস্তব সমস্যায় উপকার হবে কি?
👉 ইনশাআল্লাহ, দুটো দিকেই প্রভাব রাখে।
প্রশ্ন ১৮: সত্যিই কি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীর হয়?
👉 হ্যাঁ। নিয়মিত আমল ও দো‘আর সাথে যুক্ত থাকলে সম্পর্ক গভীর হয়।
প্রশ্ন ১৯: ভাগ্য পরিবর্তন হতে পারে?
👉 ভাগ্য পরিবর্তনকারী একমাত্র আল্লাহ। দো‘আ তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের মাধ্যম হতে পারে।
প্রশ্ন ২০: কেন একে “রহস্যময় আংটি” বলা হয়?
👉 কারণ এটি আল্লাহর কুদরতের একটি অদ্ভুত নিদর্শন, যা দাওয়াহ আকারে মানুষের জন্য দেওয়া হয়েছে।
🟢 অংশ ২: ব্যবহার ও বাংলাদেশে অর্ডার সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর
১. কীভাবে অর্ডার করা যাবে?
👉 অফিসিয়াল ওয়েবসাইট nureeba.com এ গিয়ে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে।
২. ডেলিভারি সময়?
👉 ৩-৭ কর্মদিবসের মধ্যে।
৩. দাম কত?
👉 ৫১০০ টাকা (BDT), সবার জন্য একই।
৪. কেন একই দাম?
👉 কারণ এটি দাওয়াহ টুল, বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতা নয়।
৫. ওজন ও কোয়ালিটি?
👉 প্রতিটি আংটির ওজন ৮আনা+ এবং কোয়ালিটি একই pure রূপা।
৬. টাকা কীভাবে দিতে হবে?
👉 হাতে পাওয়ার সময় ডেলিভারি ম্যানকে দিতে হবে।
৭. কে রিসিভ করবে?
👉 ব্যবহারকারী নিজেই রিসিভ করবেন।
৮. প্রথমবার আংটি হাতে পেয়ে কোন দো‘আ পড়তে হবে?
👉 “সুবহানাল্লাহ – আলহামদুলিল্লাহ – আল্লাহু আকবার”
৯. কোন আঙুলে পরতে হবে?
👉 ডান হাতের শাহাদাত আঙুলে।
১০. ওযু থাকা আবশ্যক কি?
👉 হ্যাঁ, উত্তম।
১১. কোন দিনে শুরু করা ভালো?
👉 সোমবার বা বৃহস্পতিবার।
১২. ব্যবহার শুরু করার আগে কী করতে হবে?
👉 এশার নামাজের পর খাস দো‘আ ও আমল।
১৩. নির্ধারিত আমল না করলে?
👉 আসল উপকারিতা পাওয়া যাবে না।
১৪. যত্ন কীভাবে নিতে হবে?
👉 পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং অপবিত্র স্থানে ব্যবহার না করা।
১৫. হারিয়ে গেলে কী করণীয়?
👉 আল্লাহর উপর ভরসা করে নতুন আংটি নেওয়া।
১৬. বিদেশে অর্ডার সম্ভব?
👉 ইনশাআল্লাহ, কুরিয়ার সুবিধা চালু হলে।
১৭. নারী-পুরুষ সবার জন্য একই নিয়ম?
👉 হ্যাঁ।
১৮. দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার নিরাপদ?
👉 হ্যাঁ। বরং ইমান ও আত্মা দৃঢ় হয়।
১৯. ব্যক্তিগত নাকি সামাজিক উপকার বেশি?
👉 দুটোই— ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
২০. ব্যবহার শুরুর পর নিয়মিত কী মানতে হবে?
👉 প্রতিদিনের আমল, যিকির ও দো‘আর সাথে ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া।
🟢 অংশ ৩: আংটি ও দাওয়াহ – মানবজাতির জন্য
১. মুসলিম নন এমন মানুষও ব্যবহার করতে পারবেন?
👉 হ্যাঁ।
২. অমুসলিমদের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে?
👉 আল্লাহর রহমতের দরজা সবার জন্য খোলা।
৩. আল্লাহর কুদরতের প্রভাব সবার জন্য সমান?
👉 হ্যাঁ।
৪. এটি কি মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনে?
👉 হ্যাঁ। এটি তাওহীদ ও আল্লাহর স্মরণে উদ্বুদ্ধ করে।
৫. বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা ব্যবহার করতে পারবে?
👉 হ্যাঁ। আল্লাহর রহমত সীমাহীন।
৬. দাওয়াহর মাধ্যম কি হতে পারে?
👉 হ্যাঁ।
৭. আল্লাহকে চেনাতে সাহায্য করে কি?
👉 ইনশাআল্লাহ, আন্তরিক নিয়ত থাকলে।
৮. রহমত ও হেদায়েত আনার ভূমিকা কী?
👉 এটি বান্দাকে দো‘আ ও ইবাদতের সাথে যুক্ত করে।
৯. মানবজাতির মধ্যে ঐক্যের প্রতীক হতে পারে?
👉 হ্যাঁ। এটি ভ্রাতৃত্ব ও শান্তি জাগ্রত করে।
১০. কেন এটিকে রহস্যময় আংটি বলা হয়?
👉 কারণ এটি আল্লাহর নিদর্শন, সবার কল্যাণের জন্য।
নূরে বা রহস্যময় বরকতের আংটি কখনো তাবিজ বা কুসংস্কার নয়—
এটি আল্লাহর নূরের প্রতীক, যা বান্দাকে সর্বক্ষণ মনে করিয়ে দেয়:
“আমি ক্ষুদ্র, আর আল্লাহ মহান।”
Copyright © 2025 All Rights Reserved by nureeba.com